খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬

খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

পরিবর্তন প্রতিবেদক ২:২৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৬

খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৪ বিবাদীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপী মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম পিছিয়েছে। আগামী ১২ জুলাই পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস রোববার এ আদেশ দেন। সাক্ষ্যগ্রহণের দিনে বিবাদীপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করা হয়।

৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর বিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, বিবাদীরা ডান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। পরে একই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করেন।

এরপর ২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে ক্রমাগত সময় পার করতে থাকেন।

এছাড়া আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও বিবাদীরা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি। 

এ মামলার বিবাদীরা হলেন ড্যান্ডি ডাইং লিমিডেট, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, আরাফাত রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

২০১৫ সালের ১৪ জুলাই বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে একই আদালতে জবাব দাখিল করেন আইনজীবীরা।

এর আগে ২০১৫ সালের ১২ এপ্রিল খালেদা জিয়া, মৃত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ চারজনকে ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছিলেন।

শুরুতে খালেদাসহ চারজন বিবাদী হিসেবে ছিলেন না। কোকোর মৃত্যুর কারণে ইসলামী শরিয়াহ আইনের বিধান মোতাবেক উত্তরাধিকারী হিসেবে তারা বিবাদীভুক্ত হন। গত বছরের ১৬ মার্চ আদালত তাদের বিবাদীভুক্ত করেন।

সিনহা/আরআর/একে