বাঘারপাড়ায় জোড়া খুনে সিরাজুলকে খুঁজছে পুলিশ

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬

বাঘারপাড়ায় জোড়া খুনে সিরাজুলকে খুঁজছে পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি ৪:২৯ অপরাহ্ণ, জুন ০৬, ২০১৬

বাঘারপাড়ায় জোড়া খুনে সিরাজুলকে খুঁজছে পুলিশ

যশোর-নড়াইল সড়কে বাঘারপাড়া উপজেলার চড়াভিটা এলাকার আব্দুল বারী ফিলিং স্টেশনে জোড়া খুনের ঘটনায় কর্মচারী সিরাজুল ইসলামকে খুঁজছে পুলিশ। সন্দেহের তীর এখন তার দিকে। পুলিশ এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বললেও প্রকৃত কারণ এখনও উদঘাটন হয়নি।

 


সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, মেসার্স আবদুল বারী ফিলিং স্টেশন ঘিরে উৎসুক জনতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ভিড়। দুইতলা বিশিষ্ট ফিলিং স্টেশন ভবনের নিচতলায় গ্রিল দিয়ে ঘেরা কক্ষে রক্তের দাগ। ওইখানেই রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনজন। দুইজনের লাশ পাওয়া গেলেও অপর এক কর্মচারীর সন্ধান মেলেনি। কক্ষের বিভিন্ন স্থানের আলামত সংগ্রহ করছেন  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে আগেই লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থলে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, রোববার রাতে এই কক্ষে ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ওবায়দুর, প্রতিবেশি ছাত্র অপু ও কর্মচারী সিরাজুল ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোর বেলা অপুকে ডাকতে গিয়ে তার বাবা সদর খান রক্তাক্ত অবস্থায় ওবায়দুর ও অপুকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হয়। পুলিশে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়। দুইজনের মাথায় অসংখ্য কোপের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন যশোর সদর উপজেলার মুনসেফপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ওই ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সিরাজুল ইসলাম। তাকে ঘিরে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে। ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এতে সিরাজুলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও ধারণা করছে পুলিশ।

বাঘারপাড়া থানার ওসি ছয়রুদ্দিন আহমেদ জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত দুজনের শরীরে কোপের চিহ্ন রয়েছে। এখনও মামলা হয়নি। কাউকে গ্রেফতারও করা হয়নি।

ঘটনাস্থলে যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) বিল্লাল হোসেন বলেন, কর্মচারী সিরাজুল পলাতক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ঘটনায় সিরাজুল জড়িত থাকতে পারে। পুলিশ তাকে খুঁজছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে কী কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।

আইআর/আরআর