ইংল্যান্ডকে বিদায় করে শেষ আটে আইসল্যান্ড

ঢাকা, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | ১১ বৈশাখ ১৪২৬

ইংল্যান্ডকে বিদায় করে শেষ আটে আইসল্যান্ড

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:০০ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৮, ২০১৬

ইংল্যান্ডকে বিদায় করে শেষ আটে আইসল্যান্ড

মাত্র ৩ লাখ ২০ হাজার জনসংখ্যার দেশ আইসল্যান্ড। ইংল্যান্ডের লন্ডন শহরের জনসংখ্যাও এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। তবে আয়তন ও জনসংখ্যায় যোজন-যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠের খেলায় বিবর্ণই থাকলো ইংল্যান্ড। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আইসল্যান্ড কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় ঘটে ইংলিশদের। অন্যদিকে ওয়েন রুনির দলকে হারিয়ে রূপকথার জন্ম দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় আইসল্যান্ড।

বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত একটায় নিসের আলিয়াঞ্জ রিভেইরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতেই রুনির গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডই। তবে রেঙ্গার সিগুর্ডসন ও কেলভিন সিথোর্সনের গোলে খুব দ্রুতই লিড নেয় আইসল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় রূপকথার জন্ম দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় প্রথমবারের মতো ইউরোতে অংশ নেয়া আইসল্যান্ড।

অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনালে কঠিন পরীক্ষা দিতে আইসল্যান্ডকে। আগামী রোববার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে এবারের ইউরোর সবচেয়ে ছোট দলটি। শেষ ষোলোতে আয়ারল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছিল ফ্রান্স।

অথচ শেষ ষোলোর লড়াইয়ের শুরুটা কী দুর্দান্তই না ছিল ইংল্যান্ডের। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটের মাথায় রুনির গোলে এগিয়ে যায় ইংলিশরা। আইসল্যান্ড গোলরক্ষক গোলপোস্টের খুব কাছে ইংলিশ তারকাকে রাহিম স্টারলিংকে ফেলে দিলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট-কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি রুনি। এদনি মাঠে নেমেই ডেভিড ব্যাকহামের সমান ইংল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১৫ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েন রুনি।

তবে শুরুতেই গোল হজম করেও দমে যায়নি আইসল্যান্ড। ‍উল্টো পাল্টা আক্রমণে দুই মিনিট পরই সমতায় ফেলে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশটি। থ্রো-ইন থেকে ভেসে আসা বলে আরনাসোনের হেড বিপদসীমায় সিগুর্ডসনকে খুঁজে পায়। গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে স্লাইডিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে আইসল্যান্ডকে আনন্দে ভাসান এই সেন্টার-ব্যাক।

১৮তম মিনিটে ইংলিশ শিবিরকে স্তব্ধ করে দিয়ে এগিয়ে যায় আইসল্যান্ড। প্রতিপক্ষের বক্সের সামান্য বাইরে বোডভারসনের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাস থেকে বক্সের ভেতর থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান সিথোর্সন।

প্রথমার্ধে শত চেষ্টা করেও সমতায় ফিরতে পারেনি ইংল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া ইংলিশ শিবিরকে হতাশ করেন রুনিরা। মার্কাস র্যা সফোর্ড, জেমি ভার্ডি ও জ্যাক উইলশ্যায়ারের মতো খেলোয়াড়কে বদলি হিসেবে মাঠে নামিয়েও সফলতা পাননি রয় হজসন। ফলে স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় হেরে বিদায় ঘটে ইংল্যান্ডের।

এমএআই/এইচকে