জনতার হাতে বাঁশের লাঠি তুলে দিলেন ডিআইজি

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬

জনতার হাতে বাঁশের লাঠি তুলে দিলেন ডিআইজি

জেলা প্রতিনিধি ৭:১৬ অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০১৬

জনতার হাতে বাঁশের লাঠি তুলে দিলেন ডিআইজি

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ মহাসমাবেশে যশোরের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের হাতে বাঁশের লাঠি ও বাঁশি তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার যশোর টাউন হল ময়দানে জেলা পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের ব্যানারে আয়োজিত মহাসমাবেশে আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মনির-উজ-জামান বাঁশের লাঠি ও বাঁশি তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মনির-উজ-জামান বলেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিষদাঁত ভেঙে সমূলে উৎপাটন করা হবে। কতিপয় জ্ঞানপাপী বাঁশ ও বাঁশি নিয়ে অপব্যাখ্যা করছে। অথচ এ উপমহাদেশের মানুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে নিরস্ত্র মানুষ বাঁশের লাঠি হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ চরমপন্থি প্রতিরোধে বাঁশের লাঠি হাতে তুলে নিয়েছিল। অতীতে বাঁশের লাঠি সন্ত্রাস ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস দমনে পাড়া মহল্লায় বাঁশের লাঠি ও বাঁশিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে ডিআইজি মনির-উজ-জামান আরও বলেন, ‘দেশের কতিপয় কুলাঙ্গার তাদের আন্তর্জাতিক সমর্থকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাকিস্তানের মতো সেনা, জঙ্গি ও আমেরিকার শাসনসহ চার প্রকার শাসন ব্যবস্থা আমদানি করতে চায়। তাদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। যারা বাংলাদেশের প্রেসক্রিপশন দিতে আসে, তাদের দেশে একজন মানুষ পঞ্চাশ জনকে হত্যা করলেও প্রতিরোধ করতে পারে না। তারা এদেশে শান্তি কায়েম করতে আসে। তাদের উদ্দেশ্য শান্তি কায়েম নয়, ভিন্ন। তারা পাকিস্তানের মতো চার প্রকার শাসন ব্যবস্থা আমদানি করতে চায়। আমরা জানি কীভাবে দেশকে শাসন করতে হয়।’ 

এ সময় বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, র‍্যাব-৬ অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম, খুলনার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, নড়াইলের পুলিশ সুপার খন্দকার রকিবুল ইসলাম, মাগুরা পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহসহ আরো অনেকে।

আইআর/এসএফ/এইচএসএম